এলার্জি হলে কোন রক্ত পরীক্ষা করা ভালো
এলার্জি সন্দেহ হলে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সঠিক অ্যালার্জেন (যেটি আপনার শরীরে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে) শনাক্ত করা যায়। নিচে উল্লেখযোগ্য ও সবচেয়ে কার্যকর রক্ত পরীক্ষাগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:
১. Specific IgE Test (Allergen-specific IgE):
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা।
-
এটি রক্তে নির্দিষ্ট অ্যালার্জেনের (যেমন ধুলাবালি, ফুলের রেণু, দুধ, ডিম, বাদাম, মাছ, প্রাণীর লোম ইত্যাদি) প্রতি IgE অ্যান্টিবডি খুঁজে বের করে।
-
যদি কোনো নির্দিষ্ট অ্যালার্জেনের প্রতি IgE বেশি থাকে, তবে বুঝা যায় আপনি সেটির প্রতি এলার্জিক।
এই টেস্টের মাধ্যমেই জানা যায়, আপনি ঠিক কোন জিনিসে এলার্জিক।
২. Total IgE Test:
-
এটি রক্তে মোট ইমিউনোগ্লোবুলিন E-এর মাত্রা নির্ণয় করে।
-
উচ্চ মাত্রার Total IgE থাকলে এলার্জি বা হাইপারসেনসিটিভ রিঅ্যাকশন থাকতে পারে।
-
তবে এটি নির্দিষ্ট এলার্জেন শনাক্ত করে না।
৩. ImmunoCAP Test (একটি উন্নত Specific IgE Test):
-
আরও আধুনিক ও সংবেদনশীল পদ্ধতি।
-
অনেক ল্যাবে এই পদ্ধতিতে allergen-specific IgE নির্ণয় করা হয়।
৪. Allergen Panel Test:
-
একবারে ২০-৩০টি সাধারণ অ্যালার্জেনের বিরুদ্ধে Specific IgE টেস্ট করা হয়।
-
ধুলাবালি, পোলেন, খাবার, পোষা প্রাণী ইত্যাদি মিলিয়ে প্যানেল তৈরি করা হয়।
-
এই টেস্টে কোন গ্রুপে আপনার এলার্জি সেটা ধরা পড়ে সহজে।
কখন রক্ত পরীক্ষা বেছে নেবেন?
-
যদি ত্বকে স্কিন প্রিক টেস্ট করা না যায় (যেমন: একজিমা, চর্মরোগ থাকলে)।
-
শিশু বা গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে।
-
আপনি যদি ওষুধ নিচ্ছেন যা স্কিন টেস্টের ফলকে প্রভাবিত করে।
উপসংহার:
Specific IgE test বা Allergen Panel – এ দুটির যেকোনো একটি হলে আপনি নির্ভুলভাবে জানতে পারবেন কোন বস্তুতে এলার্জি হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment
ok