ব্যক্তিগত পর্যায়ে করণীয়
-
সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা: প্রতিদিন সঠিক সময়ে সুষম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা (প্রতিদিন ৮–১০ গ্লাস) সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।
-
নিয়মিত শরীরচর্চা: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করা শরীর সুস্থ রাখতে সহায়ক।
-
পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
-
স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি: নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়মিত করানো।
সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে করণীয়
-
প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা: রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালানো।
-
স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি: সরকারি বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা এবং সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ: চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিকস এবং ল্যাব-টেকনিশিয়ানদের পর্যাপ্ত নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
-
স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন: কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং জেলা হাসপাতালগুলোর সেবা মান উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সুবিধা বৃদ্ধি।
পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত করণীয়
-
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি।
-
পরিবেশ সংরক্ষণ: পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সবুজায়ন বৃদ্ধি।

No comments:
Post a Comment
ok