- পেয়ারাÂ পেয়ারা ভিটামিন সি ফল ও সবজির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে কারণ এটি সি ভিটামিনের অন্যতম সেরা উৎস। ...
- কিউইÂ কিউইতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ...
- তরমুজÂ ...
- CantaloupeÂÂ ...
- কলাÂ ...
- বেরি যেমন স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি, ক্র্যানবেরিÂ ...
- সাইট্রাস ফল যেমন লেবু, কমলা এবং মিষ্টি লেবুÂ ...
- পেঁপেÂ
HealthPost is a Amirica-based online specialising in natural health and beauty
9 May 2025
ভিটামিন সি যুক্ত খাবার কি কি
ডালিম কি আয়রনের উৎস
সবচেয়ে বেশি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার কোনটি
- মুরগির মাংস
- ঝিনুক
- ডিম
- মেষশাবক
- হ্যাম
- তুরস্ক
- যকৃৎ
- চিংড়ি
কি ভিটামিন খেলে চেহারা সুন্দর হয়
- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার: টক ফল যেমন- কমলা, লেবু, আঙুর-জাতীয় ফল, মিষ্টি লেবু। স্ট্রবেরি, কিউই, পেঁপে। ...
- ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার: বাদামি চাল ও শস্য যেমন- বাজরা, বার্লি। ডিম ও দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। ...
- ভিটামিন ই
- ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার: সবুজ সবজি যেমন- পালংশাক ও ব্রকলি। ...
নিজেকে ভালো রাখার ১০টি কার্যকর উপায় কী কী
- আধুনিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝে অনেকেই নিজের যত্ন নিতে ভুলে যান। ...
- সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন ...
- পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন ...
- নিজের জন্য সময় রাখুন ...
- নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকুন ...
- প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটান ...
- নিজেকে ভালো রাখতে হলে আগে নিজের যত্ন নেওয়া শিখতে হবে।
সুস্থ থাকার জন্য আমাদের কী কী করণীয়
- ১. সঠিক সময় সঠিক খাবার খাওয়া
- ২. সবজি ও ফলমূল খাওয়া
- ৩. প্রতিদিন পর্যন্ত পরিমাণে পানি পান করুন
- ৪. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম ও বিশ্রাম করুন
- ৫. নিয়মিত ব্যায়াম করুন
- ৬. প্রতিদিন পর্যাপ্ত আলো বাতাস গ্রহণ করুন
- ৭. শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়মিত চেকআপ করুন
- সারাদিনে অন্তত পাঁচটি সবজি আপনার খাদ্য তালিকায় রাখুন।
স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আমাদের কী কী করা উচিত
- ১ স্বাস্থ্যকর খাবার খান ...
- ২ নিয়মিত ব্যায়াম করুন ...
- ৩ অ্যালকোহল সেবন সীমিত করুন ...
- ৪ ধূমপান ও তামাক থেকে বিরত থাকুন ...
- ৫ আপনার যৌন স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখুন ...
- ৬ মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করুন ...
- ৭ টিকা গ্রহণ করুন ...
- ৮ সঠিকভাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ঔষধ সেবন করুন
স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস কী কী
- নিজেকে হাইড্রেটেড রাখুনÂ
- আপনি যা খাচ্ছেন সে সম্পর্কে সচেতন হোনÂ
- নিশ্চিত করুন যে আপনি পর্যাপ্ত ঘুম পাচ্ছেনÂ
- আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিনÂ
- সারাদিন সক্রিয় থাকুনÂ
- আপনার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুনÂ
উপকারী কিছু টিপস কী কী
- ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অনেক উপকারিতা আছে। ...
- ব্যায়াম প্রতিদিন ব্যায়াম করলে ফিট ও সুস্থ থাকা যায়। ...
- সকালের নাশতা অনেকেই ওজন কমানোর জন্য সকালের নাশতা বাদ দেন। ...
- হাইড্রেটেড থাকা ...
- কাজের তালিকা ...
- স্বাস্থ্যকর পানীয় ...
- সক্রিয় থাকুন ...
- ঘরে রান্না, ঘরে খাওয়া
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের করণীয় কী
- জীবনধারায় পরিবর্তন ও খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে নতুন বছরের শুরুটা হতে পারে দারুণ সময়। ...
- ওজন কমান
- স্বাস্থ্যকর খাবার
- অলস শুয়ে-বসে থাকা কমান
- নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
- মানসিক চাপ কমান
- পর্যাপ্ত ও ভালো ঘুম জরুরি
- ধূমপান বন্ধ করুন
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য রক্ষার কৌশল কোনটি
স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস কী কী
পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস
-
ফল ও সবজি: প্রতিদিন অন্তত ৫টি বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলো ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার সরবরাহ করে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে ।
প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি: মাছ, বাদাম, বীজ এবং অলিভ অয়েল থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ করুন। বিশেষ করে, অলিভ অয়েল প্রদাহ কমাতে এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়ক ।
শারীরিক কার্যকলাপ
-
নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা, দৌড়ানো বা সাঁতার কাটার মতো ব্যায়াম করুন। এটি হৃদ্স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ।
-
দৈনন্দিন কাজ: সিঁড়ি ব্যবহার, বাসার কাজ করা ইত্যাদি দৈনন্দিন কাজকেও ব্যায়ামের অংশ হিসেবে গণ্য করুন।
মানসিক স্বাস্থ্য
-
যোগ ও মেডিটেশন: প্রতিদিন কিছু সময় যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করুন। এটি মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে ।
-
সামাজিক সংযোগ: বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। এটি একাকীত্ব দূর করে এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে ।
হাইড্রেশন ও ঘুম
-
পর্যাপ্ত পানি পান: প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি পান করুন। এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এবং বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে সাহায্য করে ।
-
পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য ।
খারাপ অভ্যাস পরিহার
-
ধূমপান ও অ্যালকোহল: ধূমপান এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায় ।
টিকা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা
-
নিয়মিত টিকা গ্রহণ: ফ্লু, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত টিকা গ্রহণ করুন।
-
স্বাস্থ্য পরীক্ষা: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নিন যাতে কোনো রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের করণীয় কী
ব্যক্তিগত পর্যায়ে করণীয়
-
সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা: প্রতিদিন সঠিক সময়ে সুষম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা (প্রতিদিন ৮–১০ গ্লাস) সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।
-
নিয়মিত শরীরচর্চা: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করা শরীর সুস্থ রাখতে সহায়ক।
-
পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম: রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
-
স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি: নিজের ও পরিবারের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়মিত করানো।
সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে করণীয়
-
প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা: রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালানো।
-
স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি: সরকারি বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা এবং সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ: চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিকস এবং ল্যাব-টেকনিশিয়ানদের পর্যাপ্ত নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
-
স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন: কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং জেলা হাসপাতালগুলোর সেবা মান উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সুবিধা বৃদ্ধি।
পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত করণীয়
-
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি।
-
পরিবেশ সংরক্ষণ: পরিবেশ দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সবুজায়ন বৃদ্ধি।
7 May 2025
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা কোনটি
প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যাসমূহ
১. অ-সংক্রামক রোগ (NCDs)
-
হৃদরোগ ও স্ট্রোক: বাংলাদেশে মৃত্যুর প্রধান কারণ।
-
ডায়াবেটিস: প্রায় ৮-১০ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত।
-
ক্যান্সার ও শ্বাসযন্ত্রের রোগ: বাড়ছে পরিবেশ দূষণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে।
-
কারণসমূহ: অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, তামাক ব্যবহার, বায়ু দূষণ ইত্যাদি।
২. বায়ু দূষণ
-
২০২১ সালে, বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশে ২,৩৫,০০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
-
৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ১৯,০০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বায়ু দূষণজনিত রোগে। (UNICEF)
৩. ডেঙ্গু ও অন্যান্য সংক্রামক রোগ
-
২০২৩ সালে, ডেঙ্গুতে ৩২১,১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ১,৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
-
উচ্চ জনসংখ্যা ঘনত্ব ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এই রোগের বিস্তারে ভূমিকা রাখছে।
৪. লবণাক্ত পানি ও কিডনি রোগ
-
উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত পানির কারণে কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
-
খুলনায় অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে লবণাক্ত পানি পান করছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে।
৫. স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় ও প্রাপ্তিযোগ্যতা
-
দেশের ৪৩% মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে অক্ষম।
-
স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ কম হওয়ায় এই সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে।
সমাধানের প্রস্তাবনা
-
প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ: স্বাস্থ্য শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি, এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
-
পরিবেশগত উদ্যোগ: বায়ু ও পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ।
-
স্বাস্থ্য বাজেট বৃদ্ধি: NCDs প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো।
-
স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিযোগ্যতা: গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য এই সমস্যাগুলোর সমাধানে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
বাংলাদেশের ১০টি সংক্রামক রোগের নাম কি? বাংলাদেশে কি বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যায়
বর্তমান অবস্থা
-
সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা যেমন টিকা, মাতৃসেবা ও কিছু সাধারণ চিকিৎসা বিনামূল্যে প্রদান করে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীদের ওষুধ, পরীক্ষা ও বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য নিজ খরচে ব্যয় করতে হয়।
-
স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়ের বড় অংশ জনগণকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশের জনগণের প্রায় ২৫% স্বাস্থ্যসেবা খরচের কারণে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত।
চলমান উদ্যোগ ও পরিকল্পনা
-
স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন দেশের দরিদ্রতম ২০% জনগণকে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের প্রস্তাব করেছে। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫% পর্যন্ত বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে। (
স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি (SSK) একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলায় চালু হয়েছে, যেখানে ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ডের মাধ্যমে অতি দরিদ্র পরিবারগুলো ৭০ ধরনের রোগের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। এই কর্মসূচি ধাপে ধাপে সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি
-
বিএনপি ২০২৫ সালে ঘোষিত তাদের রূপরেখায় যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (NHS) মডেলের আদলে সবার জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫% বরাদ্দের কথা বলেছে।
ভবিষ্যতের সম্ভাবনা
বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (Universal Health Coverage) অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারি বাজেট বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য খাতের কাঠামোগত সংস্কার এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কেমন
অগ্রগতি ও অর্জন
-
জীবন প্রত্যাশা ও শিশু-মাতৃমৃত্যু হ্রাস: বাংলাদেশে গড় আয়ু বেড়ে প্রায় ৭৩ বছরে পৌঁছেছে। ২০০০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে শিশু মৃত্যুহার প্রতি ১,০০০ জীবিত জন্মে ৭৬ থেকে ২৫-এ নেমে এসেছে, এবং মাতৃমৃত্যু হার ৩২২ থেকে ১৮১-এ কমেছে ।
-
টিকা ও রোগ নির্মূল: কোভিড-১৯ মহামারির সময় সফল টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারতের তুলনায় কম মৃত্যুহার বজায় রাখতে পেরেছে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে কালা-আজার ও লিম্ফাটিক ফাইলারিয়াসিস নির্মূল করেছে ।
-
কমিউনিটি ক্লিনিক: বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪,২০০টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে, যা গ্রামীণ জনগণের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ।
-
ওষুধ শিল্প: বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে, বর্তমানে ১৪৫টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করা হচ্ছে ।
চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা
-
স্বাস্থ্য বাজেট ও খরচ: স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বাজেট বরাদ্দ জিডিপির মাত্র ২.৩৪%–২.৬৪%, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। ফলে প্রায় ৬৭% স্বাস্থ্য ব্যয় রোগীদের নিজস্ব খরচে (out-of-pocket) বহন করতে হয় ।
-
মানসম্পন্ন সেবার অভাব: সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতে চিকিৎসার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত জনবল ও আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব লক্ষ্য করা যায় ।
-
মানবসম্পদের ঘাটতি: বাংলাদেশে প্রতি ১০,০০০ জনে মাত্র ৫ জন চিকিৎসক ও ১.৫ জন নার্স রয়েছেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম ।
-
নগর ও গ্রামীণ বৈষম্য: স্বাস্থ্যসেবায় নগর ও গ্রামীণ অঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য বিদ্যমান। শহরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো দুর্বল, এবং গ্রামীণ অঞ্চলে বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা সীমিত ।
-
অসংক্রামক রোগের বোঝা: বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৬৭% অসংক্রামক রোগ যেমন হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ইত্যাদির কারণে ঘটে, কিন্তু এ খাতে বরাদ্দ মাত্র ৪.২% ।















